আন্তর্জাতিক

ইসরাইলে সরকার গঠনে জটিল সমীকরণ, সামনে চার সম্ভাব্য পথ

ইসরাইলে সরকার গঠনে জটিল সমীকরণ, সামনে চার সম্ভাব্য পথ

Admin অক্টোবর ৩০, ২০২৬ 0

ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় দেশটির রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন ইয়াশার পার্টি—কেউই জোটসঙ্গীদের নিয়ে পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের সমর্থন নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ।

ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটের আসনসংখ্যা ১২০। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন। কিন্তু রাজনৈতিক ও আদর্শিক বিভাজনের কারণে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার পথ সহজ হচ্ছে না। বিশ্লেষকদের ধারণা, সরকার গঠনে চারটি সম্ভাব্য পথ সামনে রয়েছে। তবে যে পথেই নতুন সরকার গঠিত হোক, তার স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় রয়েছে। আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে সমঝোতা না হলে আবারও নির্বাচনের মুখোমুখি হতে পারে দেশটি।

বিরোধীদের জোটে আরব দলগুলোর ভূমিকা

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিরোধী দলগুলোর সামনে একটি সম্ভাব্য পথ হলো ইহুদি ও আরব দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা। তবে এ পথেই রয়েছে বড় বাধা। বিরোধী জোটের ডানপন্থী নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান আরব দল জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আমের সমর্থনে সরকার গঠনের বিরোধী। সরকারে অংশগ্রহণ কিংবা বাইরে থেকে সমর্থন—কোনো ক্ষেত্রেই তাঁদের আপত্তি নেই, এমন নয়; বরং এ বিষয়ে তাঁদের অবস্থান কঠোর।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর আরব দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক সহযোগিতার প্রশ্নে তাঁদের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। ইসরাইলের ইতিহাসে ২০২১ সালে রা’আমসহ আটটি দলের জোটই প্রথমবারের মতো আরব দলের পূর্ণাঙ্গ অংশগ্রহণে সরকার গঠন করেছিল। ওই জোট নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরালেও এক বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে ভেঙে পড়ে।

তবে সরকার গঠনে ব্যর্থ হলেও বিরোধী দলগুলো নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে স্পিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তন আনতে পারে। এতে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নেতানিয়াহুর ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা সম্ভব। কিন্তু তাঁকে সরিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের মতো সমঝোতা এখনো কঠিন।

জাতীয় ঐক্যের সরকার

দ্বিতীয় সম্ভাবনা হলো, বর্তমান দুই রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন। এ ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি, তাঁর বর্তমান জোটের কয়েকটি দল এবং বিরোধী জোটের অন্তত একটি দলকে একসঙ্গে আসতে হবে।

ধারণা করা হচ্ছে, নেতানিয়াহু জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ও কট্টর ডানপন্থী নেতা ইতামার বেন-গভিরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে রাজি হতে পারেন। তবে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ এবং উগ্র অর্থোডক্স দলগুলোকে জোটের বাইরে রাখার বিষয়ে তাঁর অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

অন্যদিকে, আইজেনকোট আগেই নেতানিয়াহুর সঙ্গে একই সরকারে না থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনে তাঁকে অবস্থান পরিবর্তন করতে হলে নিজ জোটের ভেতরে এবং নেতানিয়াহুবিরোধী ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।

বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা

তৃতীয় পথ হতে পারে বিরোধী জোটের আইনপ্রণেতাদের নিজেদের পক্ষে টেনে এনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা। এ কৌশলে নেতানিয়াহু বিরোধী দলগুলোর কোনো একটি অংশ কিংবা কয়েকজন আইনপ্রণেতার সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করতে পারেন।

তবে বিরোধী শিবিরের চার নেতা—গাদি আইজেনকোট, নাফতালি বেনেট, আভিগদর লিবারম্যান ও ইয়ার গোলান—নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরকারে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর বর্তমান জোট প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে আটটি আসন পিছিয়ে রয়েছে। ফলে আটজন আইনপ্রণেতাকে দলত্যাগে রাজি করানো তাঁর জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ।

শেষ পর্যন্ত নতুন নির্বাচন

চতুর্থ এবং শেষ সম্ভাবনা হলো, কোনো পক্ষই সরকার গঠনে সফল না হলে আবারও নির্বাচন। এ প্রক্রিয়ায় প্রথমে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ নির্বাচিত দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। তাঁদের মতামত বিবেচনা করে একজন নেতাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন তিনি।

আরব দলগুলো আইজেনকোটকে সমর্থন দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ইয়াশার পার্টির এই নেতা প্রথমেই সরকার গঠনের দায়িত্ব পেতে পারেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর সরকার গঠনের জন্য তিনি ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে আরও ১৪ দিন সময় বাড়ানো যাবে।

প্রথম ব্যক্তি ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট দ্বিতীয় একজন নেতাকে দায়িত্ব দেবেন। তাঁর জন্যও থাকবে ২৮ দিন। দ্বিতীয় প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হলে নেসেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে তৃতীয় একজন প্রার্থী মনোনীত করার অনুরোধ জানাতে পারবেন। ওই প্রার্থী সরকার গঠনের জন্য সময় পাবেন ১৪ দিন।

তিন দফা প্রচেষ্টার কোনোটিতেই সরকার গঠন সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচনের পথ খুলে যাবে।

এই পুরো প্রক্রিয়ায় নেতানিয়াহুর জন্য একটি সুবিধা রয়েছে। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় থাকবেন। আইজেনকোট প্রথম দফায় সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে দায়িত্ব নেতানিয়াহুর কাছে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনিও ব্যর্থ হলে শেষ পর্যন্ত নতুন নির্বাচনের দিকে যেতে পারে দেশটি।

সব মিলিয়ে, ইসরাইলের নির্বাচনের ফলাফল দেশটিকে আবারও দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থার মুখে দাঁড় করিয়েছে। আগামী বসন্তের আগে নতুন নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে ধারণা করা হলেও সমঝোতা না হলে আট বছরের মধ্যে সপ্তম সাধারণ নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

Popular post
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, অনিয়ম করলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুতরাং এটা আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে।’ সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঝিনাইদহে পিটিআই-এর একাডেমি-কাম-প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারদলীয় এক প্রতিমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্ক ও পদত্যাগের ঘোষণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তা প্রমাণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দুর্নীতি দমন ও অর্থ পাচার রোধে আইনি কাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং এর অধীন নীতিমালায় বড় ধরনের কোনো ত্রুটি দেখা যায়নি। মূল সমস্যা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায়। এ কারণে আইন বাস্তবায়ন জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা যথাসময়ে জানানো হবে। সব পরিকল্পনা আগেই প্রকাশ করলে পরিকল্পনার আর কিছু থাকে না। তবে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে সরকার এগিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিদ্যমান আইনি অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত আগের বিধানই কার্যকর থাকবে। এর আগে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, সার ডিলার নিয়োগের পর এ বিষয়ে কোনো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তার কথা হয়নি। অনিয়ম হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি। AITV/RONY

গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে প্রকাশ রাজ

নির্বাচন ও সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ভারতের অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়েই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করা উচিত।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন প্রকাশ রাজ।   তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাই এবং এ দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তা করব।”   বাংলাদেশ ও নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ভারতের পার্থক্য তুলে ধরে প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের আম্বেদকর আছেন। আমাদের গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে। আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে।”   প্রকাশ রাজের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারের অনীহা সরকার পরিবর্তনের দাবিকে আরও জোরালো করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের এমন অবস্থায় ঠেলে দিয়েছেন, কারণ আপনারা আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন না। আপনারা শক্তি প্রয়োগ করছেন।”   শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি জানানোকে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার বিরোধিতা করেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, প্রশ্ন তোলা, প্রতিবাদ করা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার।   প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা অস্ত্রধারী নই। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান। আমাদের অস্ত্র হলো প্রতিবাদ করার অধিকার।”   সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

অনির্দিষ্ট কালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট বন্ধ

  ফ্লাইটের সময়সূচি, নতুন সিদ্ধান্ত ও টিকিটসংক্রান্ত তথ্য জানতে যাত্রীদের নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এদিকে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত সৌদিগামী দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট ১১৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৭ হাজার ৭০১ জন যাত্রী। বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৮টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি রয়েছে। এ ছাড়া ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৫টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ জানান, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। বাতিল হওয়া ১১৪টি ফ্লাইটের মধ্যে ৫০টি সরাসরি এবং ৬৪টি ট্রানজিট ফ্লাইট।  

‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল।

  কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সৈকতে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শিকার ‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল। রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ও ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না। এমন তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ। শনিবার তিনি জানান, জুন মাসে রিসোর্টটিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও সেখানে অগ্নিনিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। পর্যটন এলাকার অনেক ইকো রিসোর্ট প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টের নিচতলায় খাবার তৈরি করা হতো। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে। তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটন এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক। স্থানীয় পর্যটন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণ ও পরিচালনায় অগ্নিনিরাপত্তা বিধি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করার বিষয়টি এ ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে।

প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে

বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের সামনের নম্বর প্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ধরনের নম্বর প্লেটে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বর একটিমাত্র আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শন করা যাবে। প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে নম্বর প্লেট তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করতে হবে। এর পটভূমি হবে সাদা এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অক্ষর ও সংখ্যা কালো রঙে লিখতে হবে। পাশাপাশি বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নম্বর প্লেটে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা অতিরিক্ত নকশা রাখা যাবে না। প্লেটের মাপ, রং, উপকরণ ও লেখার ধরন—সব ক্ষেত্রেই বিআরটিএর নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। বিআরটিএ জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বর প্লেট সংযোজন করে তা দৃশ্যমান রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা পালন না করলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক

View more
ইসরাইলে সরকার গঠনে জটিল সমীকরণ, সামনে চার সম্ভাব্য পথ

ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় দেশটির রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন ইয়াশার পার্টি—কেউই জোটসঙ্গীদের নিয়ে পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের সমর্থন নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ। ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটের আসনসংখ্যা ১২০। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন। কিন্তু রাজনৈতিক ও আদর্শিক বিভাজনের কারণে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার পথ সহজ হচ্ছে না। বিশ্লেষকদের ধারণা, সরকার গঠনে চারটি সম্ভাব্য পথ সামনে রয়েছে। তবে যে পথেই নতুন সরকার গঠিত হোক, তার স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় রয়েছে। আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে সমঝোতা না হলে আবারও নির্বাচনের মুখোমুখি হতে পারে দেশটি। বিরোধীদের জোটে আরব দলগুলোর ভূমিকা নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিরোধী দলগুলোর সামনে একটি সম্ভাব্য পথ হলো ইহুদি ও আরব দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা। তবে এ পথেই রয়েছে বড় বাধা। বিরোধী জোটের ডানপন্থী নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান আরব দল জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আমের সমর্থনে সরকার গঠনের বিরোধী। সরকারে অংশগ্রহণ কিংবা বাইরে থেকে সমর্থন—কোনো ক্ষেত্রেই তাঁদের আপত্তি নেই, এমন নয়; বরং এ বিষয়ে তাঁদের অবস্থান কঠোর। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর আরব দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক সহযোগিতার প্রশ্নে তাঁদের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। ইসরাইলের ইতিহাসে ২০২১ সালে রা’আমসহ আটটি দলের জোটই প্রথমবারের মতো আরব দলের পূর্ণাঙ্গ অংশগ্রহণে সরকার গঠন করেছিল। ওই জোট নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরালেও এক বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে ভেঙে পড়ে। তবে সরকার গঠনে ব্যর্থ হলেও বিরোধী দলগুলো নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে স্পিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তন আনতে পারে। এতে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নেতানিয়াহুর ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা সম্ভব। কিন্তু তাঁকে সরিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের মতো সমঝোতা এখনো কঠিন। জাতীয় ঐক্যের সরকার দ্বিতীয় সম্ভাবনা হলো, বর্তমান দুই রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন। এ ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি, তাঁর বর্তমান জোটের কয়েকটি দল এবং বিরোধী জোটের অন্তত একটি দলকে একসঙ্গে আসতে হবে। ধারণা করা হচ্ছে, নেতানিয়াহু জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ও কট্টর ডানপন্থী নেতা ইতামার বেন-গভিরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে রাজি হতে পারেন। তবে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ এবং উগ্র অর্থোডক্স দলগুলোকে জোটের বাইরে রাখার বিষয়ে তাঁর অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, আইজেনকোট আগেই নেতানিয়াহুর সঙ্গে একই সরকারে না থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনে তাঁকে অবস্থান পরিবর্তন করতে হলে নিজ জোটের ভেতরে এবং নেতানিয়াহুবিরোধী ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হতে পারে। বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা তৃতীয় পথ হতে পারে বিরোধী জোটের আইনপ্রণেতাদের নিজেদের পক্ষে টেনে এনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা। এ কৌশলে নেতানিয়াহু বিরোধী দলগুলোর কোনো একটি অংশ কিংবা কয়েকজন আইনপ্রণেতার সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করতে পারেন। তবে বিরোধী শিবিরের চার নেতা—গাদি আইজেনকোট, নাফতালি বেনেট, আভিগদর লিবারম্যান ও ইয়ার গোলান—নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরকারে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর বর্তমান জোট প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে আটটি আসন পিছিয়ে রয়েছে। ফলে আটজন আইনপ্রণেতাকে দলত্যাগে রাজি করানো তাঁর জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। শেষ পর্যন্ত নতুন নির্বাচন চতুর্থ এবং শেষ সম্ভাবনা হলো, কোনো পক্ষই সরকার গঠনে সফল না হলে আবারও নির্বাচন। এ প্রক্রিয়ায় প্রথমে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ নির্বাচিত দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। তাঁদের মতামত বিবেচনা করে একজন নেতাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন তিনি। আরব দলগুলো আইজেনকোটকে সমর্থন দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ইয়াশার পার্টির এই নেতা প্রথমেই সরকার গঠনের দায়িত্ব পেতে পারেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর সরকার গঠনের জন্য তিনি ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে আরও ১৪ দিন সময় বাড়ানো যাবে। প্রথম ব্যক্তি ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট দ্বিতীয় একজন নেতাকে দায়িত্ব দেবেন। তাঁর জন্যও থাকবে ২৮ দিন। দ্বিতীয় প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হলে নেসেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে তৃতীয় একজন প্রার্থী মনোনীত করার অনুরোধ জানাতে পারবেন। ওই প্রার্থী সরকার গঠনের জন্য সময় পাবেন ১৪ দিন। তিন দফা প্রচেষ্টার কোনোটিতেই সরকার গঠন সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচনের পথ খুলে যাবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় নেতানিয়াহুর জন্য একটি সুবিধা রয়েছে। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় থাকবেন। আইজেনকোট প্রথম দফায় সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে দায়িত্ব নেতানিয়াহুর কাছে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনিও ব্যর্থ হলে শেষ পর্যন্ত নতুন নির্বাচনের দিকে যেতে পারে দেশটি। সব মিলিয়ে, ইসরাইলের নির্বাচনের ফলাফল দেশটিকে আবারও দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থার মুখে দাঁড় করিয়েছে। আগামী বসন্তের আগে নতুন নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে ধারণা করা হলেও সমঝোতা না হলে আট বছরের মধ্যে সপ্তম সাধারণ নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

Admin অক্টোবর ৩০, ২০২৬ 0
নেতানিয়াহুর নির্বাচনী লড়াইয়ে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প

নেতানিয়াহুর নির্বাচনী লড়াইয়ে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউনিক্লোর শীর্ষ নির্বাহীরা,

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউনিক্লোর শীর্ষ নির্বাহীরা, বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউনিক্লোর শীর্ষ নির্বাহীরা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউনিক্লোর শীর্ষ নির্বাহীরা, বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান

প্রকাশ রাজ
গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে প্রকাশ রাজ

নির্বাচন ও সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ভারতের অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়েই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করা উচিত।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন প্রকাশ রাজ।   তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাই এবং এ দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তা করব।”   বাংলাদেশ ও নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ভারতের পার্থক্য তুলে ধরে প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের আম্বেদকর আছেন। আমাদের গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে। আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে।”   প্রকাশ রাজের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারের অনীহা সরকার পরিবর্তনের দাবিকে আরও জোরালো করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের এমন অবস্থায় ঠেলে দিয়েছেন, কারণ আপনারা আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন না। আপনারা শক্তি প্রয়োগ করছেন।”   শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি জানানোকে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার বিরোধিতা করেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, প্রশ্ন তোলা, প্রতিবাদ করা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার।   প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা অস্ত্রধারী নই। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান। আমাদের অস্ত্র হলো প্রতিবাদ করার অধিকার।”   সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

Admin অক্টোবর ১৭, ২০২৬ 0
শামা ওবায়েদ ইসলাম

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয় শামা ওবায়েদ

অনির্দিষ্ট কালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট বন্ধ

অনির্দিষ্ট কালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট বন্ধ

0 Comments