politics

ইশরাক
পুরান ঢাকায় উন্নত ও সুলভ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চাই: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

পুরান ঢাকাবাসীর জন্য উন্নত ও সুলভ মূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে আরও আধুনিক করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে হাসপাতালটির উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ইশরাক হোসেন বলেন, ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে এই কলেজ এবং বিশেষ করে হাসপাতালটির প্রতি তাঁর বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্ব পালনে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, বিগত জাতীয় নির্বাচনের আগে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধূপখোলা মাঠে নির্বাচনী প্রচারণায় এলে তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের উন্নয়নের বিষয়ে বিশেষভাবে বলেছিলেন। হাসপাতালটির শয্যাসংখ্যা বাড়িয়ে আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছিলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে এখানে বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতালসহ বাংলাদেশ এবং পৃথিবীর উন্নত বিশ্বে যে সমস্ত চিকিৎসা রয়েছে, সেগুলো যাতে স্বল্পমূল্যে আমার এলাকার জনগণ, আমার এই পুরান ঢাকাবাসী, আমার ভোটাররা পেতে পারেন এবং বিনা মূল্যে যাতে সেই চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন, সেটির জন্য ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আমরা প্রকল্প গ্রহণ করব এবং সেটিকে বাস্তবায়ন করব।’ তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটির উন্নয়নের পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজটিকেও আরও উন্নত করতে চান। বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের এক নম্বর মেডিক্যাল কলেজ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। কলেজটির সুযোগ-সুবিধার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন বলেন, এখানকার সুযোগ-সুবিধা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে যে মানে গড়ে তুলতে চান, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষার্থীদের ডরমিটরি ও শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ন্যাশনাল হাসপাতালকে এ অঞ্চলের সবচেয়ে উন্নত মানের এবং সুলভ মূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।  নিজের বাবা সাদেক হোসেন খোকা এবং ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. তাসমিনা মতিনের অবদানের কথাও স্মরণ করেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, তাঁদের যৌথ উদ্যোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৯৫ সালের ১৫ অক্টোবর কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁরা একটি মহৎ পেশার জন্য শিক্ষা গ্রহণ করছেন। ভবিষ্যতে দেশের জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার লক্ষ্যে তাঁদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত (এমপি), ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ও ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. ইফফাত আরা সহ প্রমুখ।

Admin অক্টোবর ১৬, ২০২৬ 0
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
কোন নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য খাতে যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে এবং স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দকৃত বাজেটের প্রতিটি পয়সা জনগণের সেবায় স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যয় করা হবে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিন্দুমাত্র আলামত পাওয়া গেলে—তিনি যত বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তিই হোন না কেন—আমাদের সরকার বা প্রধানমন্ত্রী এক মুহূর্তের জন্যও তাকে প্রশ্রয় দেবেন না; তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট ও মেডিকেল কলেজের ৩২তম ডিএনএমসি ডে -তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। স্বাস্থ্য খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের স্বাস্থ্য খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এমনকি এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানেও টানা ১২ বছর কোনো আয়কর দেওয়া হয়নি, সেই অর্থও লুটপাট করা হয়েছে। বর্তমান সরকার ও নতুন গভর্নিং বডি এসে এখন সেই পুঞ্জীভূত দায় শোধ করছে।”   দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “দুর্নীতিকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কোনো খাতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিন্দুমাত্র আলামত পাওয়া গেলে—তিনি যত বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তিই হোন না কেন—আমাদের সরকার বা প্রধানমন্ত্রী এক মুহূর্তের জন্যও তাকে প্রশ্রয় দেবেন না; তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” জনগণের অর্থের যথাযথ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দিয়ে স্বাস্থ্য ড এম এ মুহিত উল্লেখ করেন, চব্বিশের গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিবর্তনের পথ ধরেই সরকার স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠন করছে। জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে স্বাস্থ্য খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিটি পয়সা নতুন ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ এবং সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের কাছে বিনামূল্যে ওষুধ ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতেই ব্যয় করা হবে।

Admin অক্টোবর ১৬, ২০২৬ 0
গুলশান আরা ও দেবাশীষ
সরকারবিরোধী চক্রান্ত, সাবেক সেনা কর্মকর্তা গুলশান আরা ও দেবাশীষ রিমান্ড শেষে কারাগারে

সরকারবিরোধী চক্রান্ত, সহিংস উসকানি, অবৈধ অর্থায়ন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে পল্লবী থানার মামলায় অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা (৪৩) ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) বিজয়  দেবাশীষ নারায়ন পালকে  (৪৭) চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে  ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ চার দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদ্বয়কে কারাগারে আটক রাখার এ আবেদন করেন।  ওই আবেদনে বলা হয়, আসামিদ্বয়কে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন রয়েছে। রিমান্ডে তাদের দেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাদের ষড়যন্ত্র চিহ্নিত করার লক্ষ্যে আরও রিমান্ড চাওয়া হবে।পরবর্তী অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের লক্ষ্যে পরবর্তী রিমান্ডের জন্য  তাদেরকে  জেলহাজতে রাখা প্রয়োজন।  এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় তাদেরকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে সেদিন  ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত এ আদেশ দেন।  এর আগে, গত রবিবার (১১ অক্টোবর) রাতে পল্লবী জোনাল টিমের একটি দল অভিযান চালিয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে পল্লবীর নিজ বাসা থেকে লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আড়াইটার দিকে বনানীর বাসা থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষকে গ্রেপ্তার করা হয়।   এদিন আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী কাওসার আহমেদ আসামিপক্ষের জামিনের বিরোধিতারকরে শুনানি করেন।অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আতাউর রহমান খান রুকু,মো. মশিউর রহমান জামিনের পক্ষে শুনানি করেন। তবে আদালত শুনানি শেষে জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আতাউর রহমান খান রুকু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  মামলার অভিযোগ অনুযায়ী,  "আসামিরা পল্লবীতে কাজী গুলশান আরার বাসায় অবস্থান করে 'বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা ১' এবং 'বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি' নামের প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত থেকে সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ ও সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করতেন। এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত 'ইউনিটি কেয়ার অ্যান্ড পাবলিক পার্লামেন্ট' প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।" 'আজকাল ডটকম' নামে একটি পেজ তৈরি করে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়ার মতো কনটেন্ট প্রচার করা হতো। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজী গুলশান আরার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রচার ও পরিচালনার অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়,  ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনের আগে দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি প্রকাশ্যে আনুগত্য প্রকাশ করেন কাজী গুলশান আরা। পরে সহযোগীদের নিয়ে 'বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ' নামে একটি কমিটি প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটির মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টকশোতে সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও অবজ্ঞা ছড়ানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আসামিরা সহযোগীদের নিয়ে সরকার ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং কুৎসামূলক প্রচার চালিয়ে আসছিলেন। তাদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গুপ্তচরের যোগাযোগ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় পল্লবী থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আলী আকবার দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা, সন্ত্রাসবিরোধী আইন সহ,  সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

Admin অক্টোবর ১৬, ২০২৬ 0
Popular post
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, অনিয়ম করলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুতরাং এটা আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে।’ সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঝিনাইদহে পিটিআই-এর একাডেমি-কাম-প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারদলীয় এক প্রতিমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্ক ও পদত্যাগের ঘোষণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তা প্রমাণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দুর্নীতি দমন ও অর্থ পাচার রোধে আইনি কাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং এর অধীন নীতিমালায় বড় ধরনের কোনো ত্রুটি দেখা যায়নি। মূল সমস্যা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায়। এ কারণে আইন বাস্তবায়ন জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা যথাসময়ে জানানো হবে। সব পরিকল্পনা আগেই প্রকাশ করলে পরিকল্পনার আর কিছু থাকে না। তবে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে সরকার এগিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিদ্যমান আইনি অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত আগের বিধানই কার্যকর থাকবে। এর আগে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, সার ডিলার নিয়োগের পর এ বিষয়ে কোনো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তার কথা হয়নি। অনিয়ম হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি। AITV/RONY

সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

  জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, সবুজায়ন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন।     পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান ও বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত তদারকি, গাছপালার যথাযথ পরিচর্যা এবং অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।     সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের পরিবেশ ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।

প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে

বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের সামনের নম্বর প্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ধরনের নম্বর প্লেটে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বর একটিমাত্র আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শন করা যাবে। প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে নম্বর প্লেট তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করতে হবে। এর পটভূমি হবে সাদা এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অক্ষর ও সংখ্যা কালো রঙে লিখতে হবে। পাশাপাশি বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নম্বর প্লেটে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা অতিরিক্ত নকশা রাখা যাবে না। প্লেটের মাপ, রং, উপকরণ ও লেখার ধরন—সব ক্ষেত্রেই বিআরটিএর নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। বিআরটিএ জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বর প্লেট সংযোজন করে তা দৃশ্যমান রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা পালন না করলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল।

  কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সৈকতে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শিকার ‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল। রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ও ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না। এমন তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ। শনিবার তিনি জানান, জুন মাসে রিসোর্টটিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও সেখানে অগ্নিনিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। পর্যটন এলাকার অনেক ইকো রিসোর্ট প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টের নিচতলায় খাবার তৈরি করা হতো। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে। তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটন এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক। স্থানীয় পর্যটন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণ ও পরিচালনায় অগ্নিনিরাপত্তা বিধি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করার বিষয়টি এ ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে।

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীর এক মাসের কারাদণ্ড

    আজ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পরীক্ষায়  বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র, কেন্দ্র নং- ৪৩ এ অনুষ্ঠিত পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে একজন পরীক্ষার্থীকে মোবাইলসহ আটক করা হয়েছে। আটককৃত পরীক্ষার্থীর নাম রেশমা আক্তার (২৫)। তার বাড়ি রাজারহাট, থানার কুড়িগ্রাম জেলায়। পরীক্ষা চলাকালে তিনি গোপনে মোবাইল ফোন দিয়ে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় কেন্দ্রে দায়িত্বরত পরিদর্শক বিষয়টি দেখে তাকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো: আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনে তাকে ০১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। একই সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে।  

Top week

বাংলাদেশ

আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, অনিয়ম করলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

Admin অক্টোবর ১৯, ২০২৬ 0