আন্তর্জাতিক

গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

Admin নভেম্বর ৭, ২০২৬ 0

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে সরকার কাজ করছে। একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ।

আজ শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতি রক্ষার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পরবর্তী সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি রচিত হয়।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ সালের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এখন জাতীয় অঙ্গীকার।

দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষা, প্রযুক্তি, শিল্পায়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়নেও এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এবং বহির্বিশ্বে দেশের মর্যাদার গর্বিত প্রতিনিধি। তাঁদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমের এক অনন্য প্রতীক। জাতীয় সংকট মোকাবিলায় জনগণের ঐক্য ও দেশপ্রেমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দেশপ্রেম, গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের অঙ্গীকারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের পরিচয় একটাই আমরা বাংলাদেশি; আমাদের স্বার্থ একটাই বাংলাদেশের স্বার্থ; আমাদের অঙ্গীকার একটাই সবার আগে বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করেন।

এর আগে দূতাবাস চত্বরে প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধান অতিথি মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারী, দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Popular post
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, অনিয়ম করলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুতরাং এটা আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে।’ সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঝিনাইদহে পিটিআই-এর একাডেমি-কাম-প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারদলীয় এক প্রতিমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্ক ও পদত্যাগের ঘোষণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে- কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করলে তিনি যত কাছের মানুষই হোন না কেন, তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তা প্রমাণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দুর্নীতি দমন ও অর্থ পাচার রোধে আইনি কাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং এর অধীন নীতিমালায় বড় ধরনের কোনো ত্রুটি দেখা যায়নি। মূল সমস্যা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায়। এ কারণে আইন বাস্তবায়ন জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা যথাসময়ে জানানো হবে। সব পরিকল্পনা আগেই প্রকাশ করলে পরিকল্পনার আর কিছু থাকে না। তবে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে সরকার এগিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিদ্যমান আইনি অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত আগের বিধানই কার্যকর থাকবে। এর আগে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, সার ডিলার নিয়োগের পর এ বিষয়ে কোনো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তার কথা হয়নি। অনিয়ম হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি। AITV/RONY

প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে

বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের সামনের নম্বর প্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ধরনের নম্বর প্লেটে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বর একটিমাত্র আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শন করা যাবে। প্লেট তৈরিতে যেসব শর্ত মানতে হবে নম্বর প্লেট তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করতে হবে। এর পটভূমি হবে সাদা এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অক্ষর ও সংখ্যা কালো রঙে লিখতে হবে। পাশাপাশি বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নম্বর প্লেটে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা অতিরিক্ত নকশা রাখা যাবে না। প্লেটের মাপ, রং, উপকরণ ও লেখার ধরন—সব ক্ষেত্রেই বিআরটিএর নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। বিআরটিএ জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বর প্লেট সংযোজন করে তা দৃশ্যমান রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা পালন না করলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল।

  কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সৈকতে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শিকার ‘টুপটুপ’ রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল। রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ও ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না। এমন তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ। শনিবার তিনি জানান, জুন মাসে রিসোর্টটিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও সেখানে অগ্নিনিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। পর্যটন এলাকার অনেক ইকো রিসোর্ট প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, মেরিন ড্রাইভের টুপটুপ রিসোর্টের নিচতলায় খাবার তৈরি করা হতো। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিসোর্টটি ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে। তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটন এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক। স্থানীয় পর্যটন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অনুমোদনহীন রিসোর্টগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণ ও পরিচালনায় অগ্নিনিরাপত্তা বিধি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করার বিষয়টি এ ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে।

গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে প্রকাশ রাজ

নির্বাচন ও সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ভারতের অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়েই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করা উচিত।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন প্রকাশ রাজ।   তিনি বলেন, “আমরা সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাই এবং এ দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তা করব।”   বাংলাদেশ ও নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ভারতের পার্থক্য তুলে ধরে প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের আম্বেদকর আছেন। আমাদের গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে। আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে।”   প্রকাশ রাজের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারের অনীহা সরকার পরিবর্তনের দাবিকে আরও জোরালো করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের এমন অবস্থায় ঠেলে দিয়েছেন, কারণ আপনারা আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন না। আপনারা শক্তি প্রয়োগ করছেন।”   শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবি জানানোকে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার বিরোধিতা করেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, প্রশ্ন তোলা, প্রতিবাদ করা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার।   প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা অস্ত্রধারী নই। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান। আমাদের অস্ত্র হলো প্রতিবাদ করার অধিকার।”   সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ৭ জন নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক

১৭ অক্টোবর, শনিবার সকালে কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে ৭ জন নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতি দিয়েছেন।   বিবৃতিতে  বলেন, কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী সাতজনের মৃত্যু ও আরও বেশ কয়েকজনের নিখোঁজ থাকার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। আমি এ ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, ব্যথিত ও শোকাহত।   গোলাম পরওয়ার বলেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজারের উখিয়ার এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধার এবং আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করছি। পাশাপাশি হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।   তিনি আরও বলেন, শনিবার সকাল ৮টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত রিসোর্টের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব দায়িত্বশীল সংস্থাকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রিসোর্টগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।     এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব রিসোর্টের অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থাসহ সামগ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পর্যটক কিংবা নাগরিককে আর ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হতে না হয়।  

আন্তর্জাতিক

View more
গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে সরকার কাজ করছে। একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ। আজ শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতি রক্ষার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পরবর্তী সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি রচিত হয়। তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ সালের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এখন জাতীয় অঙ্গীকার। দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষা, প্রযুক্তি, শিল্পায়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়নেও এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এবং বহির্বিশ্বে দেশের মর্যাদার গর্বিত প্রতিনিধি। তাঁদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমের এক অনন্য প্রতীক। জাতীয় সংকট মোকাবিলায় জনগণের ঐক্য ও দেশপ্রেমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দেশপ্রেম, গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের অঙ্গীকারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের পরিচয় একটাই আমরা বাংলাদেশি; আমাদের স্বার্থ একটাই বাংলাদেশের স্বার্থ; আমাদের অঙ্গীকার একটাই সবার আগে বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করেন। এর আগে দূতাবাস চত্বরে প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধান অতিথি মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারী, দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।  

Admin নভেম্বর ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পরাজয়ের পরও অনুশোচনা নেই, নিজেকে সফল দাবি ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

বে টার্মিনালে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের পিএসএ

ছবি: সংগৃহীত
সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ‘জয় চুরির’ অভিযোগ নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর মিত্ররা। তাঁদের দাবি, ঘুষ, বিদেশি অর্থায়ন ও জালিয়াতির মাধ্যমে আরব দলগুলো নির্বাচন নিজেদের পক্ষে নিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি তাঁরা। গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। আরব দল জয়েন্ট লিস্ট ও রাআম পেয়েছে সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন। ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনে প্রয়োজন ৬১টি আসন। বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকট অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার কারণেই নেতানিয়াহু ও তাঁর মিত্ররা ভোট চুরির অভিযোগ তুলছেন। আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া কোনো পক্ষেরই সরকার গঠন কঠিন হওয়ায় দেশটিতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Admin নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের পরই ট্রাম্পকে ইরানে হামলার তাগাদা নেতানিয়াহুর

ছবি: সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের আলোচিত দুই প্রার্থী জেমস তালারিকো (টেক্সাস) ও আবদুল এল-সাইয়েদ (মিশিগান)

শেষ মুহূর্তের জরিপে ভারী ডেমোক্র্যাটদের পাল্লা

ছবি: সংগৃহীত

রামলীলায় মোদিবিরোধী জনস্রোত

ছবি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ইয়ার গোলান
ইরানে হামলাকে ক্ষমতায় টেকার হাতিয়ার বানাতে পারে নেতানিয়াহু : ইয়ার গোলান

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলাকে ক্ষমতায় টিকে থাকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইসরাইলি ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়ার গোলান। রোববার (১ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গোলান বলেন, ইরানের সঙ্গে আবারও সংঘাতে জড়ানোর আশঙ্কা বাড়ছে। তার মতে, বারবার সংঘাতে জড়ানো নেতানিয়াহুর ব্যর্থতার প্রমাণ। তিনি আরও বলেন, 'ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত পরিচালনার মতো নৈতিক বৈধতা, এমনকি মৌলিক সক্ষমতাও নেতানিয়াহুর নেই।'  এদিকে, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলা চালাতে পারে ইসরাইল ও ওয়াশিংটন। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

Admin নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
ইরানে হামলার সম্ভাব্য সময় জানাল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে হামলার সম্ভাব্য সময় জানাল যুক্তরাষ্ট্র

নেতানিয়াহুকে হটাতে নতুন কৌশলে ইসরায়েলের বিরোধী জোট

নেতানিয়াহুকে হটাতে এবার নতুন কৌশলে ইসরায়েলের বিরোধী জোট

ইসরাইলে সরকার গঠনে জটিল সমীকরণ, সামনে চার সম্ভাব্য পথ

0 Comments